গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটা গ্রেইট ডিসিশন নিছেন। এখন থেকে সরকারি যেকোনো অনুষ্ঠানে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড কিংবা অনুষ্ঠানের প্রচারণা সম্পর্কিত যেকোনো সামগ্রীতেই প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করা যাবে না।
শধু তাই নয়, যেই বিষয়ে অনুষ্ঠান, সেই সম্পর্কে লেখাপত্র থাকবে, তার বাইরে অতিরিক্ত কিছু লেখা যাবে না।
প্লাস অনুষ্ঠানের প্রচারণা ব্যানারে, ফেস্টুনে ও বিলবোর্ডের মধ্যে আয়োজনের বিষয়বস্তুটি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবেই প্রস্তুত করতে হবে যাতে করে উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় সব মানুষের কাছে।
গ্রেইট ইনিশিয়েটিভ। এটার খুব দরকার ছিল।
একেকটি অনুষ্ঠানের পোস্টার ও ব্যানারে নেতাদের ছবিতে ঢাকা পড়ে যায় যেই বিষয়ে অনুষ্ঠান, সেই বিষয়টি।
প্রধানমন্ত্রীর ছবি, তারপরে বড় নেতার ছবি, তারপরে পাতি নেতার ছবি … এভাবে ৫-৭জনের ছবিতে আর জায়গা হয় না অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু লেখার। লিখলেও ছোট করে এক কোণায়।
এখন প্রধানমন্ত্রী পরিপত্র জারি করে উনার ছবি ব্যবহারে নিষিদ্ধ করায়, বড় বড় নেতাদের পোস্টার, বিলবোর্ড ও ব্যানারে ছবির রাজনীতির উৎপাত কমবে।
যেখানে পিএমের ছবি য়ুজ করা যাবে না সেখানে নেতাদের ছবিও আর ব্যানারে য়ুজ হবে না।
ছবির এসকল পোস্টার, বিলবোর্ডের কারণে গ্রাম-শহর সব জায়গায় নান্দনিকতা হারাচ্ছে। যেদিকে তাকাবেন পোস্টার আর পোস্টার। একেকটি পোস্টারে ৪-৫জন নেতার ছবি।
ইনশাআল্লাহ ধীরে ধীরেই দেশে পরিবর্তন আসবে প্রথাগত সেই পুরানো ধ্যানধারণার রাজনীতির।
তারেক রহমানকে ধন্যবাদ এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করার জন্য।