• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
Headline :
কুমিল্লায় ভবন নির্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০ বছরের পুরোনো রহস্…See more আবা,সিক হোটে,লে উঠে ভুলেও যেসব কাজ করবেন না…see more পদ্মা সেতুর নিচের মাটি খননের সময়!! মাটি খুড়ে বের হলো রহস্যময় ১৫….See more গতকাল স্কুলে যাওয়ার সময় ১০-১৫ জন যু’বক এই মে’য়েটিকে…see more এসএসসি ফল প্রকাশের তারিখ জানা গেল….see more সাতক্ষীরার এমপি মেয়েটাকে নিয়ে হোটেলে যাওয়ার পর জনগণ ধরে তাকে…See more পটুয়াখালীতে স্ত্রী হাতে স্বামী…See more বুবলির পর দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্চেন অপু কিন্তু বাবা কি শাকিব খান… See more ১০ বছরের তুহিন। ক্লাস ফোরে পড়তো। সকালে বাসা থেকে নিজের….see more প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি আছে…. see more

ল’জ্জা স্থানে মুখ দেওয়া কী জায়েজ…

Reporter Name / ৭৮৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

দাম্পত্য জীবন ইসলামে অত্যন্ত সম্মানজনক ও পবিত্র একটি সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান এবং বৈধ উপায়ে একে অপরের চাহিদা পূরণের অনুমতি ইসলাম দিয়েছে। তবে অনেক দম্পতির মনে প্রশ্ন জাগে—স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ক্ষেত্রে লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়ার বিধান কী?

ইসলামী ফিকহের বিভিন্ন গ্রন্থে এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। অনেক আলেমের মতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন কাজ স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়নি, তবে এটি অপছন্দনীয় (মাকরুহ) এবং শালীনতার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিছু সমসাময়িক আলেমের মতে, যদি এতে কোনো হারাম বিষয় না থাকে, কোনো ক্ষতির আশঙ্কা না থাকে এবং উভয়ের সম্মতি থাকে, তাহলে এটিকে সরাসরি হারাম বলা যায় না।

তবে অধিকাংশ আলেমই পরামর্শ দেন যে, মুসলিম দম্পতিদের এমন আচরণ থেকে বিরত থাকা উচিত যা মানবিক মর্যাদা, পরিচ্ছন্নতা ও ইসলামী আদবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে নাপাক বস্তু মুখে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে।

ইসলামে দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান, ভালোবাসা এবং শালীনতা। তাই স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উচিত এমন আচরণ করা, যা একে অপরের সম্মান বজায় রাখে এবং ইসলামী নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

সবশেষে বলা যায়, এ বিষয়ে বিভিন্ন ফিকহি মত রয়েছে। তাই ব্যক্তি যদি এ নিয়ে দ্বিধায় থাকেন, তাহলে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো নির্ভরযোগ্য আলেম বা মুফতির কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়াই উত্তম। ইসলামী বিধান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য ধর্মীয় উৎসের ওপর নির্ভর করাই উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category