ঘটনার সারসংক্ষেপ:
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় হামলায় নিহত হন শাহীনুর বেগম এবং তাঁর তিন মেয়ে—সাইমা, ইকরা ও সিপা। পরিবারের একমাত্র ছেলে সিফাত ঘটনার সময় বাইরে থাকায় বেঁচে যায়।
শাহীনুরের স্বামী কামাল হোসেন কয়েক বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর তিনি সন্তানদের নিয়ে রায়পুরে থেকে কষ্ট করে সংসার চালাচ্ছিলেন এবং সন্তানদের পড়াশোনা করাচ্ছিলেন।
ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে অন্তর মজুমদারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণপিটুনি দিলে পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পূর্ণ কারণ জানার সুযোগ আর থাকেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং হামলার পেছনের উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।
সুতরাং, সামাজিক মাধ্যমে যেসব পোস্টে “আসল কাহিনি জানা গেছে” বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি। তদন্ত শেষ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন থেকেই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।