• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন |
  • English Version

২০২৩ সালে ভারত যখন নিজস্ব….see more

Reporter Name / ৩৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের একটা মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান আছে, তা আপনারা এতোদিন জানতেন? যারা জানতেন, তারা এটির কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু জানেন কিনা, আমার মনে হয় না!
এই প্রতিষ্ঠানে শতাধিকের বেশি মানুষ কাজ করেন, দেশের বিজ্ঞান ও গবেষণা খাতে বাজেট থাকে প্রতিবছরেই অন্তত ১০-১২ হাজার কোটি টাকা।
দেশের একমাত্র মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যেটির পেছনে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বছরে কোটি কোটি পয়সা খরচ হচ্ছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য কোন কাজ দেশের মানুষের সামনে ওঠে আসে নাই।
স্পারসো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলেও এটি চালান মূলত আমলারা। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান একজন সচিব। মানে দেশের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান একজন আমলা, ভাবেন সেখানে কী আর মহাকাশ নিয়ে গবেষণার কাজ হবে।
২০২৩ সালে ভারত যখন নিজস্ব প্রযুক্তিতে ও কর্মদক্ষতায় তাদের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে চন্দ্রজয় করছিল তখন আক্ষেপ করে লিখেছিলাম তাদের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান একজন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার আর আমাদের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কৃষি বেকগ্রাউন্ডের একজন সচিব।
আজকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পূর্ব থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে অফিস ফার্স্ট আওরে সরাসরি গেলেন স্পারসো ভিজিট করতে।
প্রধানমন্ত্রী কতটুকু স্যাটিফাইড হলেন তাদের এক্টিভিটিজ ও প্রতিষ্ঠানের ভিতরটা পরিদর্শন করে, তা ঠিক জানি না। তবে ভিডিয়োচিত্রে উনার এক্সপ্রেশন দেখে মনে হলো খুব একটা স্যাটিসফাইড হতে পারেননি তাদের কার্যক্রম দেখে।
প্রধানমন্ত্রী তাদের নির্দেশনা দিলেন, এই প্রতিষ্ঠানকে তিনি একটা আধুনিক, যুগোপযোগী, দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখার মতো প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চান।
চীন থেকে এসেই হটাৎ কেন প্রধানমন্ত্রীর মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির এই প্রতিষ্ঠানে ভিজিটে! এর কারণ, চীনের সঙ্গে যেসব বিষয়ে সমঝোতা সই হয়েছে, তার একটি বিষয় চীন বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহয়তা করবে। কর্মীদের প্রশিক্ষণ থেকে ইনস্ট্রুমেন্ট সাপ্লাই; সব ক্ষেত্রে চীন হেল্প করবে।
প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য আপনার এসব কর্মযজ্ঞ ও দৌড়ঝাঁপ আমাদের আশাবাদী করে তুলে, বাট
সত্যিকারভাবে এসব প্রতিষ্ঠান মানুষের কল্যাণে উপযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হলে এগুলোর অভ্যন্তরে আগে হাত দিতে হবে। সচিবদের হাত থেকে এ প্রতিষ্ঠানকে আগে মুক্ত করতে হবে। এভাবে দেশের সবগুলো প্রতিষ্ঠানই সচিবেরা দখল করে আছেন। বছরে বছরে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ পায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে পরিচালনা, সবই করেন তারা নিজেদের মতো।
দেশের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সেখানে প্রধান হবেন একজন সায়েন্স বেকগ্রাউন্ডের, অ্যাস্ট্রোনমার, ইঞ্জিনিয়ার; তা নয়, হয়ে আছেন একজন সরকারি আমলা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category