১০ বছরের তুহিন। ক্লাস ফোরে পড়তো। সকালে বাসা থেকে নিজের সাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলো একটু দূরে বন্ধুর বাসায় খেলতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্কুল রোডে পৌঁছাতেই এক বেপরোয়া সিমেন্টবোঝাই ট্রাক তাকে পি*** করে দেয়। ঘটনাস্থলেই শেষ হয়ে যায় তুহিনের জীবন। কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় তখন কর্মরত ছিলেন কনস্টেবল সামসুল হক। সড়ক দু**টনার খবর পেয়ে ডিউটির খাতিরে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। তিনি হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি, উদ্ধার করতে যাওয়া সেই শরীরটি আর কারো নয় তারই নিজের ছেলে!! ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের দে// হ দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হতভাগ্য পিতা। ডিউটি করতে এসে নিজের সন্তানের লা** তোলার মতো এমন নির্মমতার সাক্ষী উপস্থিত কেউ কখনো দেখেনি। সহকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাধারণ মানুষ কারো চোখেই পানি আটকে রাখা সম্ভব হয়নি।💔 ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। এক মুহূর্তের অসাবধানতা কেড়ে নিলো একটি তাজা প্রাণ, নিভিয়ে দিল এক বাবার জীবনের আলো। তুহিনের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন এই শোকার্ত বাবাকে এই অসীম কষ্ট সহ্য করার শক্তি দেন। 🖤