Dhaka , রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তা নদী থেকে ভেসে আসছে বস্তায় বস্তায় টা”কা জানা গেছে এই টা’কার মালিক আও

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫০ Time View

টাকাভর্তি কয়েকটি বস্তা নদীতে ভাসতে থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বুঝতে পারছে না টাকাগুলো সত্য নাকি মিথ।

ওই ছবিতে দেখা যায়, এক শ, পাঁচ শ এবং এক হাজার টাকার নোট ভর্তি ৭টি বস্তা কাদাযুক্ত পানিতে পড়ে আছে।

টাকার বস্তার পাশে পানিতে ভাসমান কিছু ময়লাও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি পেয়ে কাদের চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছেন। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, চট্টগ্রামের পলাতক ব্যাংক লুটেরাদের রাজনৈতিক নেতাদের কয়েকজনের বাড়ি চট্টগ্রাম। তারা হয়তো টাকা লুকাতে না পেরে নদীতে ফেলে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই বিশ্বাস থেকে আমি ছবিটি শেয়ার দিয়েছি। কর্ণফুলী নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, এটি এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি। এটার কোনো ভিত্তি নেই।

এমন প্রতারণকে অপরাধ উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি একটি অপরাধ। সকাল থেকে আমাদের একটা সময় এই ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে ব্যয় করতে হয়েছে।’ উৎস: কালের কণ্ঠ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অবশেষে বে’রিয়ে এলো চা’ঞ্চল্যকর ঘ’টনা।DNA টে’স্ট করে জা’না গেল রামি…..M

তিস্তা নদী থেকে ভেসে আসছে বস্তায় বস্তায় টা”কা জানা গেছে এই টা’কার মালিক আও

Update Time : ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

টাকাভর্তি কয়েকটি বস্তা নদীতে ভাসতে থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বুঝতে পারছে না টাকাগুলো সত্য নাকি মিথ।

ওই ছবিতে দেখা যায়, এক শ, পাঁচ শ এবং এক হাজার টাকার নোট ভর্তি ৭টি বস্তা কাদাযুক্ত পানিতে পড়ে আছে।

টাকার বস্তার পাশে পানিতে ভাসমান কিছু ময়লাও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি পেয়ে কাদের চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছেন। তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, চট্টগ্রামের পলাতক ব্যাংক লুটেরাদের রাজনৈতিক নেতাদের কয়েকজনের বাড়ি চট্টগ্রাম। তারা হয়তো টাকা লুকাতে না পেরে নদীতে ফেলে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই বিশ্বাস থেকে আমি ছবিটি শেয়ার দিয়েছি। কর্ণফুলী নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, এটি এআই দিয়ে তৈরি করা ছবি। এটার কোনো ভিত্তি নেই।

এমন প্রতারণকে অপরাধ উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি একটি অপরাধ। সকাল থেকে আমাদের একটা সময় এই ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে ব্যয় করতে হয়েছে।’ উৎস: কালের কণ্ঠ।